কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ডিলারের গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়ার পর ৫৮ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে।
কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, ওই গুদামে ৩৪২ বস্তা সার ছিল। এর মধ্যে ২০২ বস্তা ইউরিয়া ও ২৩ বস্তা পটাশ নিয়ে যান ক্ষুব্ধ কৃষকরা। পরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও প্রশাসনের সহযোগিতায় ৫৮ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।
এর আগে রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে সার না পাওয়ার অভিযোগে একদল কৃষক ওই গুদামে ঢুকে সার নিয়ে যান। পরে বিকেলে ঘটনাস্থল উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের শাহ আমানত ট্রেডার্সের ডিলার পয়েন্ট পরিদর্শন করেন কৃষি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজনে পাশের ইউনিয়ন থেকেও সার এনে দেওয়া হবে। তবে এভাবে গুদাম থেকে সার নিয়ে যাওয়া কাম্য নয়।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, ‘কৃষকরা গুদাম থেকে সার নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে পাগলারহাট বাজারের একটি বিএডিসি ডিলার পয়েন্টে অভিযান চালানো হয়েছে। কৃষক ছাড়া অন্য ব্যক্তির কাছে সার বিক্রির অভিযোগে ডিলার নুর আলমকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ।
ইউএনও অমৃত দেবনাথ বলেন, গুদাম থেকে নিয়ে যাওয়া সার উদ্ধারে পুলিশ, প্রশাসন ও স্থানীয় লোকজন সহযোগিতা করছেন। উদ্ধার হওয়া সার কৃষকদের মধ্যে চাহিদা অনুযায়ী বিতরণ করা হবে।
